মো: শাহাব উদ্দিন
গণভোট বাতিল: জুলাইয়ের রক্ত কি তবে বৃথা গেল?
গণভোট বাতিলের সিদ্ধান্ত শুধু একটি প্রশাসনিক পদক্ষেপ নয় এটি একটি গভীর রাজনৈতিক বার্তা। এই বার্তা কি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করছে, নাকি দুর্বল করছে সেই প্রশ্ন আজ তীব্রভাবে সামনে এসেছে। গত জুলাইয়ে যে শিক্ষার্থীরা রাস্তায় নেমেছিল, তারা কোনো ব্যক্তিগত স্বার্থে নয়, বরং অধিকার, প্রতিনিধিত্ব এবং ভবিষ্যতের দাবিতে দাঁড়িয়েছিল। তাদের মধ্যে কেউ কেউ আর ঘরে ফিরেনি। সেই রক্ত, সেই ত্যাগ এগুলো কোনো পরিসংখ্যান নয়; এগুলো একটি জাতির বিবেকের অংশ। আজ যখন গণভোট বাতিল করা হয়, তখন সেই বিবেকই প্রশ্ন তোলে জন
গণের মতামত প্রকাশের সবচেয়ে সরাসরি পথটিকেই যদি বন্ধ করে দেওয়া হয়, তবে গণতন্ত্রের ভিত্তি কোথায় দাঁড়িয়ে থাকবে? রাষ্ট্রের যুক্তি থাকতে পারে স্থিতিশীলতা, নিরাপত্তা, বা প্রশাসনিক বাস্তবতা। কিন্তু ইতিহাস বারবার দেখিয়েছে, জনগণের কণ্ঠ রুদ্ধ করে স্থিতিশীলতা আনা যায় না; বরং তা আরও গভীর অসন্তোষের জন্ম দেয়। গণভোট কোনো বিলাসিতা নয়, এটি জনগণের অধিকার। আর সেই অধিকার যদি কেড়ে নেওয়া হয়, তবে জুলাইয়ের সেই আত্মত্যাগ কি শুধুই স্মৃতিচারণে সীমাবদ্ধ থাকবে? আজকের প্রশ্নটি রাজনৈতিক নয়, নৈতিক যারা জীবন দিল, তাদের স্বপ্ন কি আমরা রক্ষা করছি, নাকি নীরবে তা অস্বীকার করছি?

