প্রতিবেদক: তারফদার মামুন
নুরুল ইসলাম শাওন রাঙ্গামাটি পৌরসভা ০৭নং ওয়ার্ড ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক এর নেতৃত্বে হোটেল ম্যানেজারের ওপর হামলার অভিযোগ
মোঃ কামরুল ইসলাম : রাঙ্গামাটি শহরস্থ বনরূপা এলাকায় হোটেল কসমস ইন ও কসমস রুফটপ রেস্টুরেন্টে হিসাব-সংক্রান্ত বিষয়কে কেন্দ্র করে দুই ম্যানেজারের মধ্যে মারামারি এবং পরবর্তীতে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় হোটেল কসমস ইন-এর ম্যানেজার গিরি দত্ত চাকমা (৩৬) গুরুতর আহত হয়েছেন। বর্তমানে তিনি পুলিশ হেফাজতে চিকিৎসার জন্য রাঙ্গামাটি জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। ঘটনাস্থল ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) রাত আনুমানিক ৮ টা ৪০ মিনিটের দিকে এই সংঘর্ষের সূত্রপাত। জানা গেছে, হোটেল কসমস ইন-এ
র মালিক মো. সালাউদ্দিন বর্তমানে রাঙ্গামাটি জেলা কারাগারে অবস্থান করছেন। মালিকের অনুপস্থিতিতে হোটেল কসমস (আবাসিক)-এর ম্যানেজার গিরি দত্ত চাকমা প্রতিদিনের হিসাবে গরমিল করছিলেন বলে অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি জানতে পেরে মালিকের স্ত্রী রুফটপ রেস্টুরেন্টের ম্যানেজার মোছাঃ ইমা আক্তারকে (২৭) আবাসিকের প্রতিদিনের হিসাব তদারকির দায়িত্ব দেন। ১৩ ডিসেম্বর রাতে ইমা আক্তার হিসাব চাইতে গেলে ম্যানেজার গিরি দত্ত চাকমা তা দিতে অস্বীকার করেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন প্রত্যক্ষদর্শী জানান, ইমা আক্তার তখন মালিকের স্ত্রীকে ফোন দিতে গেলে গিরি দত্ত চাকমা তাকে হাত ধরে বাধা দেন। এর জেরে ইমা আক্তার তাঁকে থাপ্পড় মারেন এবং পাল্টা গিরি দত্ত চাকমাও ইমা আক্তারকে এলোপাতাড়ি মারধর করেন। এই ঘটনার পর রুফটপ ম্যানেজার ইমা আক্তার তাঁর স্বামী নুরুল ইসলাম শাওনকে বিষয়টি অবগত করেন। নুরুল ইসলাম শাওন রাঙ্গামাটি পৌরসভা ০৭নং ওয়ার্ড ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক। অভিযোগ রয়েছে, ইমা আক্তারের খবর পেয়ে নুরুল ইসলাম শাওন আনুমানিক ১২ থেকে ১৫ জন রাঙ্গামাটি জেলা ছাত্রদলের নেতাকর্মীসহ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। তাঁরা ম্যানেজার গিরি দত্ত চাকমাকে এলোপাতাড়ি মারধর করেন। এতে গিরি দত্ত চাকমা গুরুতর আহত হন। পরে খবর পেয়ে কোতোয়ালী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. মাহবুবুর রহমান ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। তিনি আহত গিরি দত্ত চাকমাকে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে চিকিৎসার জন্য রাঙ্গামাটি জেনারেল হাসপাতালের উদ্দেশে রওনা হন। এ বিষয়ে কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, হিসাব-সংক্রান্ত বিবাদের জের ধরে মারামারির ঘটনা ঘটে। আহত ব্যক্তিকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সারমর্ম যায়গায় রেখে পত্রিকার কলাম স্টাইলে একটি প্রতিবেদন দাও

