সাজেকে অতিরিক্ত আইজির উষ্ণ অভ্যর্থনা ও গার্ড অব অনার
পাহাড়ি জনপদে আইনশৃঙ্খলা জোরদারে পুলিশের দৃঢ় অঙ্গীকার মোঃ কামরুল ইসলাম | রাঙ্গামাটি জেলা প্রতিনিধি রাঙ্গামাটির পর্যটন নগরী সাজেক—যা মেঘ, পাহাড় ও প্রকৃতির অপার সৌন্দর্যে ঘেরা এক অনন্য জনপদ—সেখানেই অনুষ্ঠিত হলো এক তাৎপর্যপূর্ণ রাষ্ট্রীয় আনুষ্ঠানিকতা। চট্টগ্রাম রেঞ্জের সম্মানিত ডিআইজি এবং সম্প্রতি অতিরিক্ত আইজি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত জনাব মোঃ আহসান হাবীব
পলাশ, বিপিএম-সেবা মহোদয় সাজেক থানায় সরকারি পরিদর্শনে এসে উষ্ণ অভ্যর্থনা ও গার্ড অব অনার গ্রহণ করেন। ২৪ নভেম্বর (সোমবার) সাজেক থানায় পৌঁছালে তাঁকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়ে স্বাগত জানান রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার ড. এস এম ফরহাদ হোসেন। থানা প্রাঙ্গণে এক উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয় এবং চট্টগ্রাম রেঞ্জ পুলিশের একটি সুসজ্জিত চৌকস দল মর্যাদাপূর্ণ 'গার্ড অব অনার' প্রদান করে। অতিরিক্ত আইজি মহোদয় অভিবাদন গ্রহণ করে দায়িত্বপ্রাপ্ত অফিসার ও সদস্যদের সাথে কুশল বিনিময় করেন। পরিদর্শনকালে তিনি বলেন, “মেঘে ঢাকা এই সাজেকে পুলিশের সেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে আমাদের অঙ্গীকার অব্যাহত থাকবে। পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই আমাদের প্রধান অগ্রাধিকার।” এই গুরুত্বপূর্ণ সফরে উপস্থিত ছিলেন খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার পুলিশ সুপার মোঃ আরেফিন জুয়েল, বিপিএম, সহকারী পুলিশ সুপার (বাঘাইছড়ি সার্কেল) মাহমুদুল হাসান, সাজেক থানার অফিসার ইনচার্জ কানন সরকারসহ বিভিন্ন পর্যায়ের ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তা। তাঁরা এলাকাভিত্তিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, পর্যটন নিরাপত্তা এবং স্থানীয় চ্যালেঞ্জসমূহ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। দেশি-বিদেশি পর্যটকদের কাছে মারাত্মক জনপ্রিয় এই সাজেক ভ্যালিতে প্রতিবছর লক্ষাধিক মানুষের সমাগম ঘটে। ফলে এখানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। অতিরিক্ত আইজি মহোদয়ের এই পরিদর্শন শুধুই আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং পাহাড়ি জনপদের নিরাপত্তা ব্যবস্থার ওপর পুলিশ সদর দপ্তরের সর্বোচ্চ গুরুত্বের স্পষ্ট প্রতিফলন। পরিদর্শন শেষে তিনি সাজেক থানার সার্বিক কার্যক্রম মূল্যায়ন করেন এবং পুলিশ সদস্যদের জনগণের সেবক হিসেবে পেশাদারিত্ব ও মানবিকতা বজায় রেখে দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা দেন। বিশ্লেষকদের মতে, অতিরিক্ত আইজি জনাব মোঃ আহসান হাবীব পলাশের এই সফর পাহাড়ি অঞ্চলের পুলিশিং কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করবে এবং পাহাড় ও সমতলের মানুষের মধ্যে আস্থা ও সহযোগিতার সেতুবন্ধন সুদৃঢ় করতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।
